শনিবার ১২/১০/২৪ শে আমাদের ঠাকুর বিসর্জন এর পর মনটা প্রতিবার এর মতই ভারাক্রান্ত ছিল| রবিবার তাই ঠিক করলাম সিনেমা দেখতে যাব| বিকেল ৪.০৫ এর শো,সিনেমার নাম "বহুরূপী" | দারুণ, দারুণ বহু শিল্পী দিয়ে ভরানো এবং প্রতিটি চরিত্রের e তাৎপর্য আছে। মূল চরিত্রে আবির চ্যাটার্জী,শিবপ্রসাদ মুখার্জী,কৌশনি মুখার্জী ও রিতাভরী চক্রবর্তী। শিবপ্রসাদ মুখার্জীর চরিত্র অনস্বীকার্য ও অনবদ্য। একজন দক্ষ অভিনেতার মতো নিজের চরিত্রটাকে অদ্ভুত সুন্দর ফুটিয়ে তুলেছেন। তার সাথে কৌশনীর রসায়ন ও উল্লেখযোগ্য। কৌশনিও নিজের চরিত্রের সাথে যথেষ্ট বিচার করেছে।আবির চ্যাটার্জী একজন পুলিশ অফিসার এবং তার চেহারা ও ব্যক্তিত্বর সাথে খুবই উপযুক্ত। এই সিনেমাটির কোনো অংশেই মনে হয়নি যে ভালো লাগছেনা ,প্রতিটা মুহূর্তেই কিছু না কিছু আছে,যেটা এক পলক ও ফেলতে দেয়নি। রিতভরীর চরিত্রটা সেরম দাগ ছাড়তে পারেনি ,সেটাই একটা জায়গা।বাকি যদি কিছু বলা যায় ,সেটা হচ্ছে এটা একটা দারুণ, দারুণ ছবি। সিনেমাটির শেষের টুইস্ট টা দেওয়ায় এটা একটা অন্য মাত্রায় পৌঁছে যায়।মনে হচ্ছিল উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে শিল্পীদের বুঝিয়ে দিই ,যে তাদের এই নিবেদন আমার কতটা মন ছুঁয়েছে।পুজো শেষের ভারাক্রান্ত মন আর ছিল না।@শিবপ্রসাদ দা,@ নন্দিতা দি,ধন্যবাদ ,অনেকদিন পর একটা ভালো বাংলা সিনেমার জন্য।